
জিহাদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বিভিন্ন হত্যা ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে বিশেষ অবদান রাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাসন থানার মামলা নং-১৪ (ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড) অনুযায়ী ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান ভূইয়াকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে থানাধীন মসজিদ মার্কেটের পাশে হত্যা করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) দুলাল চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ক্লু-লেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। পরে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
টঙ্গী পূর্ব থানার মামলা নং-১২ (ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড) অনুযায়ী ৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) মেহেদী হাসান তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাটির রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযান পরিচালনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেফতার নিশ্চিত করেন।
এছাড়া গাছা থানার মামলা নং-১২ (ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড) অনুযায়ী ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে একটি বাসায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান দক্ষতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতার করেন এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেন।
উল্লেখিত ঘটনাগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডসহ জটিল মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাদের এ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা পুলিশ কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।