দুর্নীতির মামলায় কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Friday, February 27, 2026,
দুর্নীতির মামলায় কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
দুর্নীতির মামলায় কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস

দুর্নীতির মামলায় কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস

নিউজ ডেস্ক,আমার সকাল ২৪ 

দিল্লি, ভারত – ভারতের দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দল আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতির মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। কেজরিওয়াল দীর্ঘদিন ধরে এই মামলাকে ‘শাসক দলের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করছিলেন।

২০২৪ সালের মার্চে মদ লাইসেন্স বরাদ্দ থেকে কমিশন নেওয়ার অভিযোগে কেজরিওয়াল গ্রেফতার হন এবং কয়েক মাস জেলে ছিলেন। প্রায় দুই বছরের বিচার চলার পর আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আদালত কেজরিওয়াল, তার সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া এবং আরও ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। খালাস ঘোষণার সময় কেজরিওয়াল আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ইটভাটার দেয়াল ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ২ ইটভাটার দেয়াল ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ২

কেজরিওয়াল বলেন, “সত্যের জয় হয়েছে,” এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন।

কেজরিওয়াল ট্যাক্স কালেক্টর হিসেবে পেশা শুরু করেছিলেন এবং পরে দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরোধীরা নানা ধরনের তদন্ত ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

২০২৫ সালের আগস্টে সরকার এমন একটি বিল প্রবর্তন করে যা আটক বা আটকাদেশ থাকা রাজনীতিবিদদের পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে, যা বিরোধীরা ‘সংবিধান রক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত