
স্টাফ রিপোর্টার (বান্দরবান): সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে জমে উঠছে নির্বাচনী উত্তাপ। ইতোমধ্যে ৩০০ নং সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক মেরুকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র জোটবদ্ধ অবস্থান। নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে জোটের পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট এসএম সুজা উদ্দিনকে একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কয়েক দফা আলোচনার পর এসএম সুজা উদ্দিনের নাম চূড়ান্ত করা হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। জোটের নেতারা মনে করছেন, সুজা উদ্দিনের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা ভোটারদের কাছে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের আশা, জোটবদ্ধ অবস্থান নির্বাচনী লড়াইকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলবে।
প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর বান্দরবান সদর ছাড়াও রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি ও আলীকদমসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে জোটের নেতা–কর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে। তৃণমূলে জনসংযোগ, ছোট ছোট সভা ও সমর্থক সংগঠনের সমন্বয়—সব মিলিয়ে প্রচারণার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট এসএম সুজা উদ্দিন বলেন—
“আমি বান্দরবানের আপামর মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি। পাহাড় ও সমতলের মানুষের অধিকার রক্ষা, উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা আমার মূল লক্ষ্য। জামায়াত ও এনসিপির ঐক্যবদ্ধ সমর্থন আমার শক্তিকে আরও বাড়িয়েছে।”
নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, বান্দরবান–৩০০ নং আসনে সবসময় বড় রাজনৈতিক দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। তবে জামায়াত–এনসিপির জোট নতুন ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সমর্থন জোটের জন্য বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, কোন দিকে মোড় নেয় বান্দরবারের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা—তা দেখতেই এখন মুখিয়ে আছেন স্থানীয়রা।