
চুল নরম, মসৃণ এবং ঝলমলে রাখতে ঘরোয়া যত্নের তালিকায় সবচেয়ে বেশি শোনা যায় দুটি নাম—দই এবং কাঁচা ডিম। কেউ ডিম দিয়ে চুল শক্ত করেন, আবার কেউ দই দিয়ে চুলে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু আসলে কোনটি চুলের জন্য বেশি উপকারী?
দইতে থাকে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা চুলের গোড়া শক্ত করে।
মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, খুশকি ও অতিরিক্ত তেল কমায়।
শুষ্ক বা নিস্তেজ চুলে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে।
ব্যবহার:
আধা কাপ দইয়ের সঙ্গে এক চা চামচ মধু বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগান। ৩০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
ডিমে থাকে প্রচুর প্রোটিন, বায়োটিন, ভিটামিন A, D ও E, যা চুলের গঠন মজবুত করে।
পাতলা, দুর্বল বা সহজে ভেঙে যাওয়া চুলের জন্য উপকারী।
চুলের স্থিতিস্থাপকতা বাড়িয়ে আগা ফাটার সমস্যা কমায়।
ব্যবহার:
চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ১–২টি ডিম ফেটিয়ে এক চা চামচ নারকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে চুলে লাগান। ২০–২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
শুষ্ক, রুক্ষ বা কোঁকড়ানো চুল → দই
পাতলা, দুর্বল বা চুল পড়ার সমস্যা → ডিম
খুশকি বা স্ক্যাল্প সমস্যা → দই
চুলে ঝলকানি আনতে চাইলে → দই এবং ডিম দুটোই ব্যবহার করা যায়
মিশ্রণ টিপস:
একটি ডিম, দুই টেবিল চামচ দই এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্যাক বানান। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিলে চুল হবে নরম, মজবুত এবং ঝলমলে।
সারসংক্ষেপ:
দই এবং ডিম—দুটোই চুলের জন্য উপকারী। চুলের ধরন অনুযায়ী সঠিক উপাদান বেছে নিলেই চুল থাকবে সুস্থ, সুন্দর এবং ঝলমলে।