৬ টাকা ৪৮ পয়সায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারবে পিডিবি

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

৬ টাকা ৪৮ পয়সায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারবে পিডিবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৬ টাকা ৪৮ পয়সা দরে কিনতে পারবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

বিইআরসির কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার সম্ভাব্য ট্যারিফ নির্ধারণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণ করা হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি’ অনুসারে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। এতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বড় গ্রাহক—উভয়ের জন্য বিদ্যুৎ বেচাকেনার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এদিকে, এ বিষয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি। এর আগে জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের জন্য কত টাকা চার্জ দিতে হবে, সে বিষয়ে বিতরণ সংস্থাগুলো তাদের বিস্তারিত প্রস্তাব কমিশনে জমা দিয়েছে।

বিইআরসিতে জমা দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ ভোল্টেজের ১৩২ কেভি লাইনে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যয় ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত হতে পারে। আর সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ের ০.৪০ কেভি লাইনে এই খরচ সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এর সঙ্গে সঞ্চালন চার্জের পাশাপাশি বিতরণ মাশুল ও ক্রস-সাবসিডি চার্জও যুক্ত হবে। ফলে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে মোট ব্যয়ের কাঠামো নির্ধারণে এসব চার্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমানে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জমা দেওয়া প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করছে। পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের আশা, নির্ধারিত ট্যারিফের ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের পথ আরও সহজ হবে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত