৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 10, 2026,
৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক

এসএসসি পরীক্ষায় ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাজী রেজা (১৬)। কিন্তু নিজের সেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আর জানা হলো না তার। ফল প্রকাশের ঠিক একদিন আগে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কাজী রেজা বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চক্রামপুর গ্রামের কাজী বাড়ির বাসিন্দা এবং কাজী আলফু মিয়ার একমাত্র ছেলে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হন রেজা। দ্রুত চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ওই দিনই তার মৃত্যু হয়।

হলি ল্যান্ড কলেজে স্কলারশিপ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন ৩৬৬ শিক্ষার্থী হলি ল্যান্ড কলেজে স্কলারশিপ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন ৩৬৬ শিক্ষার্থী

সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায়, কাজী রেজা ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু যে ফলাফলের জন্য তিনি এবং তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন, সেই সাফল্যের সংবাদ জানার আগেই তিনি চিরবিদায় নেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

রেজার ফল প্রকাশের পর তার পরিবারে একদিকে সন্তানের সাফল্যের খবর, অন্যদিকে তাকে হারানোর গভীর শোক—দুই বিপরীত অনুভূতি একসঙ্গে নেমে আসে। যে মুহূর্তটি আনন্দের হওয়ার কথা ছিল, তা পরিণত হয় অশ্রুসিক্ত বেদনায়।

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকাহত হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা ও স্বজনরা। সহপাঠীর আকস্মিক মৃত্যুর খবরেও ভেঙে পড়েছেন বন্ধু ও সহপাঠীরা। রেজার অকাল মৃত্যুতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চক্রামপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে কাজী রেজার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

রেজার পরিবার ও স্বজনদের কাছে ৪.১১ জিপিএ আজ আর আনন্দের নয়; এটি হয়ে উঠেছে এক অপূরণীয় ক্ষতি আর অশ্রুভেজা স্মৃতির প্রতীক।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত