৪১ কোটিতে বিক্রি ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

৪১ কোটিতে বিক্রি ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার নাম এলেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে ভেসে ওঠে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল। এবার সেই ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি বিক্রি হয়েছে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৪১ কোটি টাকা।

ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হেরিটেজ অকশনসের নিলামে ‘অ্যাডিডাস অ্যাজটেকা’ বলটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। যদিও ডালাসভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটি বলটির জন্য এক কোটি ডলার পর্যন্ত দাম প্রত্যাশা করেছিল। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচে আর্জেন্টিনার দুটি গোলই করেছিলেন ম্যারাডোনা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

প্রথম গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিত। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে ম্যারাডোনা হাতের স্পর্শে বল জালে পাঠান। গোলটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হলেও রেফারি গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।

ম্যাচের পর ম্যারাডোনা বলেছিলেন, গোলটি হয়েছিল ‘কিছুটা মাথা দিয়ে আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এরপর একই ম্যাচে ম্যারাডোনা করেন আরও একটি অবিশ্বাস্য গোল। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একের পর এক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে পরাস্ত করেন তিনি। পরবর্তীতে ফিফা এই গোলটিকে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে নির্বাচিত করে।

ঐতিহাসিক ওই ম্যাচের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে ব্যবহৃত বলটি তিনি নিজের সংগ্রহে রেখে দেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সেটি সংরক্ষণ করেন।

২০২৩ সালে দেওয়া একটি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিন নাসের নিশ্চিত করেন, এটিই ছিল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে ব্যবহৃত ম্যাচ বল। পরবর্তীতে বলটির সত্যতাও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়।

এর আগে ২০২২ সালে বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে বিক্রি করেছিলেন আলি বিন নাসের। পরে ২০২৩ সালে নতুন মালিক আবারও বলটি নিলামে তুললেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় সেটি বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

ম্যারাডোনার স্মারকের বাজারমূল্য এর আগেও রেকর্ড গড়েছে। একই ম্যাচে পরা তার জার্সি ২০২২ সালে লন্ডনের এক নিলামে ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল।

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত ও স্মরণীয় ম্যাচের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকা সেই বলের নতুন এই মূল্য তাই ম্যারাডোনার কিংবদন্তি মর্যাদাকেই আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত