হবিগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, September 14, 2026,
হবিগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
হবিগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

হবিগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মিরাশ উদ্দিনের ছেলে খলিল উদ্দিন এবং একই গ্রামের মৃত ইশ্বাদ উল্লাহর ছেলে মো. গোলাম হোসেন।

সুনামগঞ্জ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক মোঃ মিনহাজুর রহমান সুনামগঞ্জ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক মোঃ মিনহাজুর রহমান

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে খলিল উদ্দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। খলিলের স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে এ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন হওয়ায় ওই তরুণী তার পুরোনো রুপার চেইন বিক্রি করতে চান। খলিল চেইনটি কেনা ও টাকা দেওয়ার কথা বলে তাকে ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাত ১টার দিকে দেখা করতে বলেন। বিষয়টি তিনি গ্রামের ব্যবসায়ী গোলাম হোসেনকেও জানান।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

পরে ওই তরুণী দেখা করতে গেলে খলিল তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে খলিল তার ওপর ধর্ষণ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি গোলাম হোসেন দেখে ফেললে তিনিও ওই তরুণীর ওপর যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে দুজন মিলে তাকে হত্যা করেন বলে মামলার তদন্তে উঠে আসে।

পরদিন দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সুফি মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে খলিল উদ্দিন ও মো. গোলাম হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন আহমেদ সেলিম বলেন, “এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। একজন প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে। অন্যজন বিষয়টি দেখে সেও ধর্ষণ করতে চায়। পরে দুজন মিলে মেয়েটিকে হত্যা করে। এটি চরম অমানবিক একটি বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, রায়ে তারা সন্তুষ্ট। আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। আসামিরা চাইলে রায়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

১ টি মন্তব্য

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত