শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ, তবুও সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতির অভিযোগ

  • আপলোডের সময় : Wednesday, September 2, 2026,
শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ, তবুও সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতির অভিযোগ
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ, তবুও সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতির অভিযোগ

শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ, তবুও সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: মো. নাইম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার চিত্রা, পাতাকাটা ও আঙ্গুলকাটা ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মাওলানা মো. এমাদুল হকের শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি ওই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাওলানা এমাদুল হক ১৯৯২ সালে মাদ্রাসার তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে জুনিয়র মৌলভী পদে নিয়োগ পান। পরে ১৯৯৭ সালে তিনি সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতি পান। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন নিয়োগ ও পদোন্নতিসংক্রান্ত যোগ্যতার শর্তের সঙ্গে তার নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়টি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ১৯৯২ সালে জুনিয়র মৌলভী বা সমমানের এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগ ও ইনডেক্সের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ থাকার বিষয়ে নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত ছিল। মাওলানা এমাদুল হকের দাখিল, আলিম ও ফাজিল—তিন স্তরেই তৃতীয় বিভাগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এরপরও তিনি আলিম শাখার জুনিয়র মৌলভী বা বর্তমানে ইবতেদায়ী মৌলভী পদ থেকে দাখিল শাখার সহকারী মৌলভী পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে তৎকালীন বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
পাবনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার পাবনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে মাদ্রাসাটিতে মিনিস্ট্রি অডিট অনুষ্ঠিত হয়। অডিট দলের প্রধান ছিলেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক মকবুলার রহমান। অডিটের সময় শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত বেতনসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে।

শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন স্তরে তৃতীয় বিভাগ থাকা ব্যক্তির নিয়োগ ও পদোন্নতির সুযোগ ছিল কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা পরিদর্শক মকবুলার রহমান বলেন, “যেহেতু যেকোনোভাবে একবার নিয়োগ হয়ে গেছে এবং এমপিওভুক্তও হয়েছেন, এরপর তাকে আর কেউ আটকায়নি। তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি।”

পিরোজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী আযিযী বলেন, “এই শিক্ষকের নিয়োগ ও এমপিও কীভাবে হয়েছে, তা মাদ্রাসা অধিদপ্তরই ভালো বলতে পারবে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রম না থাকায় মাদ্রাসাগুলো অনেকটা মনগড়া নিয়মেই পরিচালিত হয়।”

অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা মো. এমাদুল হক বলেন, “একাধিক বা সবগুলো থার্ড ক্লাস থাকলেও সমস্যা নেই। আমার নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধি মোতাবেক হয়েছে।”

এ ঘটনায় মাওলানা এমাদুল হকের নিয়োগ, এমপিওভুক্তি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে তৎকালীন বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত