রংপুরে সাবেক শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Sunday, August 23, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

রংপুরে সাবেক শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বাড়িটির তালা ভেঙে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির ভেতর থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন—রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৪) এবং ছেলে পিয়ম চক্রবর্তী (১২)।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

গণপতি চক্রবর্তী শিক্ষকতা থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজ বাসায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার চেম্বার পরিচালনা করতেন। তার মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী রংপুরের কারমাইকেল কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করতেন। ছেলে পিয়ম চক্রবর্তী ছিল রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ জানায়, দুইতলা বাড়িটির ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিঁড়িতে পাওয়া যায় তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ। আর ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয় একটি কক্ষ থেকে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ঘটনার পর ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট, মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা আলামত সংগ্রহ ও তদন্তকাজ শুরু করেন। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রংপুর সিআইডির পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) সুমিত চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই থেকে তিন দিন আগে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। প্রাথমিক আলামত দেখে এটি ডাকাতির ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। গামছা বা কাপড় দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

তিনি আরও জানান, বাড়িটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি স্বর্ণালংকার রাখার আসবাবপত্রের বিভিন্ন স্থান ভাঙা ছিল। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত