যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 17, 2026,
যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় যৌতুকের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুবিনা বেগম পিংকিকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর নয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সানাউল্লাহর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে তা ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

রায় ঘোষণার সময় সানাউল্লাহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন—আলী হোসেন, নান্টু মিয়া, নূর ইসলাম, শহিদুল্লাহ, কালু, শহিদুল, বেগম, রেনু বেগম ও আ. খালেক।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
কিশোরগঞ্জে ‘জাতীয় জীবনে নজরুল চর্চার অপরিহার্যতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা কিশোরগঞ্জে ‘জাতীয় জীবনে নজরুল চর্চার অপরিহার্যতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

মামলার বিবরণ

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ২৮ নভেম্বর সানাউল্লাহর সঙ্গে রুবিনা বেগম পিংকির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে পিংকিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

২০০৬ সালের ২ মে কয়েকজন আসামি সানাউল্লাহর কামরাঙ্গীরচরের কয়লাঘাটের বাসায় গিয়ে জানতে চান, শ্বশুরবাড়ি থেকে তিনি কী পেয়েছেন। সানাউল্লাহ তিন লাখ টাকা পাওয়ার কথা জানালে অন্য কোনো মালামাল না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাঁকে পিংকিকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ের পরামর্শ দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তারা চলে যাওয়ার পর সানাউল্লাহ তাঁদের প্ররোচনায় পিংকিকে যৌতুকের জন্য মারধর করেন এবং গরম পানি দিয়ে পুড়িয়ে দেন। তাঁর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বা পিংকির মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পিংকির মা রাবিয়া কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ২০ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই মো. গোলাম মোস্তফা সানাউল্লাহকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং অন্য আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন।

তবে বাদীপক্ষ ওই সুপারিশের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করলে পরে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত