যমুনার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১১

  • আপলোডের সময় : Monday, August 31, 2026,
যমুনার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১১
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
যমুনার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১১

যমুনার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১১

আব্দুল্লাহ মাহমুদ
সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি:

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং একটি বালুভর্তি বাল্কহেড জব্দ করে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের কাওয়ামারা বটতলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিংনা ইউনিয়নের রসপাল মৌজায় যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয়দের দাবি, এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সুভাষ সরকার এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন স্থানীয় বিএনপি সমর্থক আনিছুর রহমান আনিছ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু উত্তোলন ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত। শনিবার সন্ধ্যায় একটি বালুভর্তি বাল্কহেডকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয়রা জানান, কাওয়ামারা বটতলা এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে মাজহারুল ইসলাম মুকুল, আনিছুর রহমান আনিছ, পিংনা ইউনিয়ন বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক মাসুদ মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য চান মিয়া, বাবু মিয়া, হুমায়ুন, সুভাষ সরকার, বায়েজিদ, সামাল, শিবলু মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ১১ জন আহত হন।

আহতদের সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আশরাফুল নাহার বৃষ্টি জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় থাকা কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুরে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে সংঘর্ষের সময় পুলিশের জব্দ করা বালুভর্তি বাল্কহেডটি পরদিন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে মাহবুবুল, হারুন অর রশিদ ও আজম নামে তিন শ্রমিক বাল্কহেডটি নিতে গেলে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। পরে তাদের তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে সোপর্দ করা হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

তবে সংঘর্ষের ঘটনায় নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুভাষ সরকার। তাঁর দাবি, কাজীপুর থেকে বালুভর্তি একটি বাল্কহেড সরিষাবাড়ীর দিকে আসার পর সেটি পুড়িয়ে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁর ও তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়।

অপরদিকে আনিছুর রহমান আনিছ ও মাজহারুল ইসলাম মুকুলের অভিযোগ, সুভাষ সরকার ও তাঁর লোকজন প্রভাব খাটিয়ে রসপাল মৌজায় জেগে ওঠা ভূমি এবং কৃষকদের আবাদি জমির আশপাশ থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন। এতে বাধা দিতে গেলে কৃষক ও স্থানীয়দের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

তাঁরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত