রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে জিহাদ (২০) নামে এক মোবাইল মেকানিককে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. পারভেজকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আক্কেল আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট রাতে জিহাদ ও তার বন্ধু নিরবকে নাস্তা খাওয়ার কথা বলে হাজারীবাগের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান জাহিদ নামের এক ব্যক্তি। পরে তাদের মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজারের ইদ্রিস খান সড়কের নূরজাহানের বাড়ির তৃতীয় তলার একটি টিনশেড কক্ষে নেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। পূর্ব বিরোধের জেরে তারা জিহাদ ও নিরবকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও চাপাতির উল্টো পিঠ দিয়ে মারধর করেন। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে জিহাদের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে জিহাদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৮ আগস্ট দুপুরে পারভেজ তাকে অটোরিকশায় করে বাসার সামনে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
স্বজনরা জিহাদকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় জিহাদের বাবা মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলা হওয়ার পর ২০ আগস্ট রায়েরবাজারের হাসেমখান রোডের মেরিটাইমসের সামনে থেকে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে জিহাদের ব্যবহৃত কালো রঙের ‘Poco X3 Pro’ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, পারভেজের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ ও মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা চেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।