মার্কিন কোম্পানিতে হামলার হুমকি ইরানের

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মার্কিন কোম্পানিতে হামলার হুমকি ইরানের

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের ঘোষণার পর মার্কিন কোম্পানি ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন এলাকায় থাকা মার্কিন তেল ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

রেজায়ি আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা যদি ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অভিযানে অংশ নেয়, তাদেরও শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এমনকি তাদের স্বার্থেও আঘাত হানার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন মাত্রায় অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা আরোপের ঘোষণা দেন। তেহরানকে চাপে ফেলতে মিত্র দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ইরান অবশ্য এখনো নির্দিষ্ট করে জানায়নি কোন মার্কিন প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন তেল, প্রযুক্তি ও অন্যান্য কোম্পানির বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে।

এদিকে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকারদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে সাইবার হামলা চালিয়ে কয়েক দিন কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোকেও সতর্ক করা হয়েছে। মার্কিন বিমান বা জ্বালানি পরিবহনকারী ট্যাংকারকে আশ্রয় দিলে ভবিষ্যতে এসব দেশের বেসামরিক অবকাঠামোও হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

তবে একই সময়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ শেষ করতে একটি চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে একদিকে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো, অন্যদিকে আলোচনার সম্ভাবনা—দুই দিকেই এগোচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত।

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞাতেও ইরানকে নত করা সম্ভব হয়নি। তাই নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে তেহরানকে চুক্তিতে বাধ্য করার ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল কতটা সফল হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত