মঠবাড়িয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন সংকট, অস্থায়ী টিনশেডে চলছে পাঠদান

  • আপলোডের সময় : Wednesday, August 26, 2026,
মঠবাড়িয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন সংকট, অস্থায়ী টিনশেডে চলছে পাঠদান
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মঠবাড়িয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন সংকট, অস্থায়ী টিনশেডে চলছে পাঠদান

স্টাফ রিপোর্টার | মোঃ নাইম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১২৭ নম্বর দক্ষিণ বাঁশবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনের সংকটে অস্থায়ী টিনশেডের ঘরে পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। বিদ্যালয়টির একটি অংশে বর্তমানে পাকা ফ্লোরের ওপর টিনশেডের অস্থায়ী ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। দুইজন মিস্ত্রি সেখানে কাজ করছেন। এ কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত একাডেমিক ভবন না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জরাজীর্ণ ভবনের পাশাপাশি অস্থায়ী ঘরেও ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

শুধু দক্ষিণ বাঁশবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, মঠবাড়িয়া উপজেলার শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্নভাবে অস্থায়ী টিনশেড বা সীমিত অবকাঠামোর মধ্যে পাঠদান চলছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। অনেক বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুমের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

দুই দিনে দুই বিদায়, সৃষ্টিকর্মে থেকে যাবেন মুকুল জামিল ও সজীব দুই দিনে দুই বিদায়, সৃষ্টিকর্মে থেকে যাবেন মুকুল জামিল ও সজীব

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে প্রয়োজনীয় অনেক বিদ্যালয় নতুন ভবন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এর একটি উদাহরণ হিসেবে ৯৪ নম্বর নলী ভীম চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা উল্লেখ করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বিদ্যালয়টিতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও দীর্ঘদিনেও নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, তৎকালীন সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ঘনিষ্ঠতা না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়ে মঠবাড়িয়া উপজেলার কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাধিক ভবন নির্মাণ করা হলেও বেশি শিক্ষার্থী থাকা এবং অবকাঠামোগত সংকটে থাকা কিছু বিদ্যালয় নতুন ভবন পায়নি। তাদের দাবি, কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, বিপরীতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী থাকা বিদ্যালয়ও ভবন সংকটে রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মতে, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে অস্থায়ী টিনশেডের ওপর বছরের পর বছর নির্ভর না করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ জরুরি।

তাদের দাবি, মঠবাড়িয়ার যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে ভবন সংকটে রয়েছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত