মঠবাড়িয়ায় নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষের অভিযোগ
- আপলোডের সময় : Wednesday, September 2, 2026,

মঠবাড়িয়ায় নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার: মো. নাইম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা আবদুল ওহাব মহিলা আলিম মাদ্রাসায় নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত ওই কর্মচারীর নামে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নাম ও জন্মতারিখে অসঙ্গতির বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ‘তাওহীদ’ নামে ওই ব্যক্তিকে মাদ্রাসায় নিরাপত্তাকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁর দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর একটিতে জন্মসাল ১৯৮৪ এবং অন্যটিতে ১৯৯৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তাঁর প্রকৃত নাম ‘তানজিল’ হলেও অন্য একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ‘তাওহীদ’ নাম ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ‘তাওহীদ’ নামে দাখিল পাসের একটি সনদ ব্যবহারের বিষয়েও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব নথি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার পেছনে মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি মো. হেমায়েত কমিশনার ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. বেলায়েত হোসেনকে ৫ লাখ টাকা এবং মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) প্রতিনিধি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বাকি ৫০ হাজার টাকা নিয়োগ-পরবর্তী একটি বিষয় মীমাংসায় ব্যয় হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া টিকিকাটা আবদুল ওহাব মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, নিরাপত্তাকর্মীর জাতীয় পরিচয়পত্রের অসঙ্গতির বিষয়টি তদন্তে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গত ৩০ আগস্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ বলেন, ওই কর্মচারীকে বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ঘুষ লেনদেন হয়নি।
নিয়োগকালীন সময়ে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি মো. হেমায়েত কমিশনারও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও শিক্ষাগত সনদের অসঙ্গতির বিষয়টি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরই স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।










