মঙ্গল গ্রহের ছবিতে ‘জেলিফিশ’ অবয়ব, প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন জল্পনা

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 24, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মঙ্গল গ্রহের ছবিতে ‘জেলিফিশ’ অবয়ব, প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন জল্পনা

পৃথিবী থেকে প্রায় ২২ কোটি ৫০ লাখ কিলোমিটার দূরের লাল গ্রহ মঙ্গল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এরই মধ্যে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা মঙ্গলপৃষ্ঠের একটি ছবিতে অদ্ভুত এক অবয়ব দেখা যাওয়ার পর নতুন করে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। দূর থেকে অবয়বটিকে অনেকটা জেলিফিশের মতো মনে হওয়ায় কেউ কেউ এটিকে প্রাণী, আবার কেউ অজানা কোনো বস্তু বা যন্ত্র বলে দাবি করছেন। বিষয়টি নিয়ে মহাকাশপ্রেমী ও ইউএফও গবেষকদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের ১৩ আগস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কিউরিওসিটি রোভার ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট মঙ্গলের গেইল ক্র্যাটার এলাকায় ছবিটি ধারণ করে। ছবিতে ধুলোময় মঙ্গলপৃষ্ঠ, পাথুরে পাহাড় ও উঁচু-নিচু ভূখণ্ডের মাঝে এক পাশে ছোট একটি অস্বাভাবিক আকৃতির অবয়ব দেখা যায়। এর ওপরের অংশ কালচে এবং নিচে সরু কয়েকটি অংশ ঝুলে থাকতে দেখা গেছে। এ কারণেই অনেকে এটিকে জেলিফিশের মতো কোনো প্রাণী বা অজানা যন্ত্র বলে মনে করছেন।

তবে একই এলাকার তোলা অন্য ছবিতে ওই অবয়বটি দেখা যায়নি বলে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এর কিছুক্ষণ আগের ছবিতেও সেটি ছিল না বলে আলোচনায় এসেছে। ফলে এটি মঙ্গলপৃষ্ঠের কোনো পাথর, আলোর প্রতিফলন, ক্যামেরার ত্রুটি নাকি অন্য কোনো বস্তু—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বিজ্ঞানীরা অবশ্য এটিকে অতিপ্রাকৃত কোনো ঘটনা হিসেবে দেখছেন না। তাদের মতে, এটি ক্যামেরা সেন্সরের ত্রুটি, পিক্সেলের বিকৃতি কিংবা সাময়িক কোনো কারিগরি সমস্যার ফল হতে পারে। অস্পষ্ট কোনো ছবিতে মানুষের মস্তিষ্ক পরিচিত আকৃতি খুঁজে পাওয়ার প্রবণতাকে বলা হয় ‘প্যারেডোলিয়া’।

এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭৬ সালে নাসার ভাইকিং-১ অরবিটারের তোলা ছবিতে মঙ্গলের একটি পাহাড়কে মানুষের মুখের মতো মনে হয়েছিল। পরে উচ্চ রেজল্যুশনের ছবিতে দেখা যায়, ছায়া ও নিম্নমানের ছবির কারণে ওই ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এদিকে কেউ কেউ দাবি করেছেন, ছবিতে দেখা অবয়বটি নাসার ইনজেনুইটি মার্স হেলিকপ্টার হতে পারে। তবে নাসার তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি তোলার সময় ইনজেনুইটি ওই স্থান থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভিন্ন একটি ক্র্যাটারে অবস্থান করছিল। ফলে এই ধারণারও কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলে অতীতে জীবনের উপযোগী পরিবেশ ছিল কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়ে আসছে নাসা। কিউরিওসিটি রোভারও মঙ্গলের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও প্রাচীন পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। তাই নতুন ছবিটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হলেও এর মাধ্যমে মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেছে—এমন দাবি করার মতো তথ্য এখনো নেই।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত