বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার মঠবাড়িয়া হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা

, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : Monday, September 14, 2026,
বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার মঠবাড়িয়া হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার মঠবাড়িয়া হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা

বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার মঠবাড়িয়া হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা

স্টাফ রিপোর্টার: মো. নাইম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ অন্ধকার হয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগী দেখাসহ জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হচ্ছে।

৫০ শয্যাবিশিষ্ট মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের অভিযোগ, দিনে-রাতে প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় জরুরি বিভাগের রোগীদের। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারের মধ্যে রোগী দেখা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে চিকিৎসকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী ও তাঁদের স্বজনরা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের অন্ধকারের মধ্যেই থাকতে হয়। চিকিৎসাসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কার্যকর থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে সেটিও সচল নেই বলে অভিযোগ তাঁদের।

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৭৪ হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৭৪

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “এই হাসপাতালে বিদ্যুৎ একটি বড় সমস্যা। জেনারেটর নেই। এখন আবার ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে। বাধ্য হয়ে এখানে আসতে হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।”

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়া গেলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা রায় বলেন, “জরুরি বিভাগের জন্য যে জেনারেটরটি ছিল, সেটি নষ্ট হয়ে আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।”

রোগী ও তাঁদের স্বজনদের দাবি, হাসপাতালের মতো জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি দ্রুত নষ্ট জেনারেটরটি সচল করতে হবে। একই সঙ্গে কার্যকর বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় রোগীদের ভোগান্তি ও চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন অনেকটাই কমবে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত