বাবুগঞ্জে সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবার

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Thursday, September 10, 2026,
বাবুগঞ্জে সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবার
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
বাবুগঞ্জে সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবার

বাবুগঞ্জে সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবার

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের উত্তর রহমতপুর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র বাঁশ-কাঠের সাঁকোটি ভেঙে পড়েছে। এতে রাজারবের খাল পারাপারে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রকল্পের বাসিন্দারা। বাধ্য হয়ে কলাগাছের ভেলা তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হচ্ছেন তাঁরা। দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের উপজেলা সদরসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ ছিল রাজারবের খালের ওপর নির্মিত বাঁশ-কাঠের সাঁকোটি। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা সাঁকোটি সম্প্রতি ভেঙে পড়ায় সরাসরি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হতে হচ্ছে।

সাঁকোটির পাশেই রয়েছে বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রায় ১৫ দিন ধরে অনেক শিশু বই-খাতা নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। স্থানীয় হাট-বাজারে যাওয়া, চিকিৎসা নেওয়া কিংবা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে বাসিন্দারা কলাগাছের ভেলা তৈরি করে খাল পার হচ্ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

সরেজমিনে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের তৈরি কলাগাছের ভেলাটিও ভেঙে গেছে। এতে খাল পারাপারে আরও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেককে ঝুঁকি নিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও ভ্যানচালক বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘রাজারবের খালের ওপর এই সাঁকোটিই আমাদের ৩২ পরিবারের একমাত্র ভরসা। জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিদিন কাজে বের হতে হয়। এখন বের হতে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর কলাগাছের ভেলা দিয়ে খাল পার হতে হচ্ছিল। সেই ভেলাটিও এখন ভেঙে গেছে। আমাদের জন্য একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে খুব উপকার হতো।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহরাব আজমাইন বলেন, ‘দুই সপ্তাহ ধরে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যেতে পারছি না। আমার ছোট বোন লামিয়া মাদ্রাসায় পড়ে, সেও ঘরে বসে আছে। আমরা স্কুলে যেতে চাই। এই খালের ওপর একটি সেতু চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘মূলত ফাইভ স্টার ইটভাটার মালিকরা সাঁকোটি তৈরি করেছিলেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২টি পরিবারসহ স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতেন। এটি ভেঙে যাওয়ায় তাঁরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। রাজারবের খালের ওপর দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা জরুরি।’

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, ‘ফাইভ স্টার ইটভাটা সংলগ্ন রাজারবের খালের ওপর সাঁকোটি ভেঙে গেছে। আমি এক সপ্তাহ পর বিষয়টি জানতে পেরেছি। স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁশ-কাঠ দিয়ে সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। শিগগিরই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারসহ স্থানীয়দের খাল পারাপারের দুর্ভোগ লাঘব হবে।’

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত