বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজলউড, ‘অনেক অচেনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছি’
- আপলোডের সময় : Friday, August 7, 2026,

বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজলউড, ‘অনেক অচেনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছি’
দীর্ঘ ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে চারশর বেশি পেশাদার ম্যাচ খেলা অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে তার খেলার অভিজ্ঞতা খুব বেশি নয়। এবার দীর্ঘদিন পর টাইগারদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রোমাঞ্চ অনুভব করছেন এই অজি তারকা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত মাত্র ৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন হ্যাজলউড। এর মধ্যে টেস্ট ম্যাচ রয়েছে মাত্র একটি। সর্বশেষ ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সফরে টেস্ট সিরিজে খেলেছিলেন তিনি। গত জুনে বাংলাদেশের সফরে অস্ট্রেলিয়া দলে না থাকলেও এবার ঘরের মাঠে টাইগারদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ফিরেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ডারউইনের মাঠও অস্ট্রেলিয়ার জন্য নতুন অভিজ্ঞতার হতে যাচ্ছে, কারণ ২২ বছর পর সেখানে টেস্ট খেলবে স্বাগতিকরা।
‘আনপ্লেয়েবল পডকাস্ট’-এ বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হ্যাজলউড বলেন,
“অনেক অচেনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। মাঠ অজানা, বিশেষ করে উইকেট অজানা। এই কন্ডিশনে প্রতিপক্ষও আমাদের কাছে কিছুটা অচেনা। তবে আমার মনে হয়, বিষয়টি বেশ রোমাঞ্চকর।”
নতুন প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এই ডানহাতি পেসার। তিনি বলেন, ভিডিও বিশ্লেষণ ও ব্যাটারদের কিছু প্রবণতা খুঁজে বের করা সম্ভব হলেও মাঠের পরিস্থিতি বুঝে তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা করতে হবে।
হ্যাজলউড মনে করেন, টেস্ট ক্রিকেটে সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো নিজের শক্তির জায়গায় ধারাবাহিক থাকা। তার ভাষায়,
“টেস্ট ক্রিকেটে পরিকল্পনাটা বেশ সহজ। আসল বিষয় হলো সেটি দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করা। ম্যাচ যত এগোয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। মাঠেই মানিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সময় থাকে।”
এদিকে একই পডকাস্টে থাকা সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার কেইন রিচার্ডসন ডারউইনের উইকেট নিয়ে সতর্ক করেছেন। তার মতে, এটি প্রচলিত অস্ট্রেলিয়ান পেস-সহায়ক উইকেট নাও হতে পারে।
রিচার্ডসন বলেন,
“আমি মনে করি না, এটি এমন কোনো আদর্শ অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট উইকেট হবে, যেখানে পেসাররা সিম মুভমেন্ট, সুইং ও বাউন্স থেকে দারুণ সুবিধা পাবে। বরং নিচু বাউন্সের কারণে কন্ডিশনটা বাংলাদেশের মতো হতে পারে। সেরকম হলে স্পিনাররা সুবিধা পেতে পারে।”
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার এই টেস্ট সিরিজে তাই কেবল প্রতিপক্ষ নয়, কন্ডিশন ও নতুন ভেন্যুও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে দুই দলের জন্য।









