বগুড়ায় ১০ বছর পেরিয়ে ১১ বছরে ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুল

, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : Sunday, October 4, 2026,
বগুড়ায় ১০ বছর পেরিয়ে ১১ বছরে ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুল
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
বগুড়ায় ১০ বছর পেরিয়ে ১১ বছরে ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুল

বগুড়ায় ১০ বছর পেরিয়ে ১১ বছরে ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুল

বগুড়া সদর স্টাফ রিপোর্টার: মো. ফিরোজ হোসেন

বগুড়া শহরের মালগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবস্থিত ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুল সুনামের সঙ্গে ১০ বছর পার করে ১১ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি আরবি শিক্ষার সুযোগ করে দিয়ে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিতে সাফল্য অর্জন করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা শেষ করে অনেক শিক্ষার্থী বগুড়া শহরের বিভিন্ন নামকরা স্কুল ও কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মালগ্রাম দক্ষিণপাড়া ও আশপাশের এলাকায় শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগে অনেক পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য দূরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হতো। বর্তমানে নিজ এলাকার কাছেই শিক্ষার সুযোগ পাওয়ায় অভিভাবকদের সময় ও যাতায়াতের খরচ দুটোই কমেছে।

চীনে স্কলারশিপ: নিয়ম না মানলেই হারিয়ে যায় সব চীনে স্কলারশিপ: নিয়ম না মানলেই হারিয়ে যায় সব

স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের অভিভাবকরা জানান, শহরের অন্যান্য কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এখানে তুলনামূলক কম খরচে শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পরিবারের সন্তানরাও এ প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, “২০১৬ সালে যখন প্রতিষ্ঠানটি শুরু করি, তখন আমার মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার শিশুদের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া। আমাদের এলাকায় অনেক পরিবার রয়েছে, যাদের পক্ষে সন্তানদের দূরের স্কুলে পড়ানো বা বেশি খরচ বহন করা কঠিন। সেই চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলি।”

তিনি বলেন, “আমি চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে। বাংলা পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আরবি শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানে পৃথক শিক্ষক রয়েছেন। বর্তমানে শুধু নিজ এলাকার নয়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসছে।”

মো. ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের কিছুটা উপকার করতে পেরেছি—এটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির আরও উন্নয়ন করার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।”

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ এক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি বৃত্তি অর্জন ও পরবর্তী শিক্ষাজীবনে ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ তৈরি করে ফরহাদ আল কুরআন পাবলিক স্কুলটি এলাকায় একটি ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করেছে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত