স্থানীয় সূত্র ও মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কৃষক হালিম হাওলাদারের দুটি ছাগল পাশের বাড়ির সুনীল হালদারের ফসলি জমিতে ঢুকে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুনীল ছাগল দুটিকে ধরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন বলে অভিযোগ করেন হালিম।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
পরে স্থানীয়রা একটি ডোবা থেকে ছাগল দুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। হালিম হাওলাদারের দাবি, ছাগল খুঁজতে গিয়ে তিনি ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছাগল দুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন। তার অভিযোগ, সুনীল হালদারই ছাগল দুটিকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীল হালদার। তিনি বলেন, ছাগল দুটি প্রায়ই তার ফসলি জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করত। তিনি কখনো ছাগল দুটিকে আঘাত করেননি। বরং মালিককে ছাগল বেঁধে রাখার কথা বলেছিলেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে জড়িয়ে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য রুবেল গাজী বলেন, বিষয়টি শুনে তিনি মর্মাহত হয়েছেন। ছাগল দুটি হত্যার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামি সুনীল হালদার পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।