নেছারাবাদে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুইজন গ্রেপ্তার
- আপলোডের সময় : Tuesday, September 1, 2026,

নেছারাবাদে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুইজন গ্রেপ্তার
মো. আল মামুন, পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দৈহারী নৌপুলিশ। সোমবার দুপুরে উপজেলার ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি কাঠবডির ট্রলারে তল্লাশি করে এসব মাংস উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।
দৈহারী নৌপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে নেছারাবাদ উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি কাঠবডির ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে মাংস পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রলিতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংসসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথ ব্যবহার করে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস আনা হচ্ছে। কাঠ, গোলপাতা ও মাছবাহী ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে এসব মাংস পরিবহন করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয় বলেও দাবি করেন তারা।
স্থানীয়দের আরও দাবি, এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে এ ধরনের ঘটনায় কয়েকজন আটক হলেও অবৈধ এ বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কখনো দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা মাংস বাজারজাত এবং হরিণের মাংসের সঙ্গে অন্য প্রাণীর মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি হরিণ শিকার, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে নৌপথে নজরদারি ও নিয়মিত টহল আরও জোরদারের আহ্বান জানান তারা।










