নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কেনার প্রস্তাব

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, August 24, 2026,
নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কেনার প্রস্তাব
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কেনার প্রস্তাব

আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খবরটি সংবাদপত্রের উপযোগী করে সাজালে এমন হতে পারে:

ঢাকা প্রতিনিধি: মার্চেন্ট পাওয়ার প্লান্টের (এমপিপি) কাছ থেকে প্রতি কিলোওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কিনতে পারবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণ করা হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

২০১৫ সালের ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি’ অনুযায়ী, এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন থেকে সরাসরি বড় গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি।

আন্তর্জাতিক দুই পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক দুই পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ব্যাংক

এদিকে জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের জন্য কী পরিমাণ চার্জ নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে বিতরণ সংস্থাগুলো বিইআরসিতে বিস্তারিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৩২ কেভি উচ্চ ভোল্টেজ লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ের ০.৪০ কেভি লাইনে এই খরচ সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর সঙ্গে সঞ্চালন চার্জের পাশাপাশি বিতরণ মাশুল ও ক্রস-সাবসিডি চার্জও যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে বিইআরসির কারিগরি কমিটি এসব প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে।

চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণের পর নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত