আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
দুই দিনে টেস্ট হার, লজ্জার রেকর্ডে বাংলাদেশের নাম
ডারউইনে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ম্যাকাইয়ে সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় টেস্টে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র দুই দিনেই ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে।
এই হারে প্রথমবারের মতো দুই দিনে টেস্ট ম্যাচ হারল বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে দুই দিনে শেষ হওয়া ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯টি।
ব্যাটিং ব্যর্থতায় লজ্জার হার
ম্যাকাইয়ের পেস ও বাউন্সি কন্ডিশনে বাংলাদেশের ব্যাটাররা দুই ইনিংসেই অসহায় ছিলেন। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ৯৫ রানে। ফলে ইনিংস হার এড়াতেও প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারেনি দল।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
প্রথম ইনিংসে ২১০ রান করে অস্ট্রেলিয়া ১৪৬ রানের লিড নেয়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সামনে ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ব্যাটারদের দায়িত্বহীন শট ও ভুল সিদ্ধান্তে ম্যাচ দ্রুতই হাতছাড়া হয়ে যায়।
স্টার্কের আগুনে বোলিং
অস্ট্রেলিয়ার জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংসেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে রেখেছেন এই বাঁহাতি পেসার। শেষ পর্যন্ত ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
বাংলাদেশের হয়ে অবশ্য বল হাতে ইতিহাস গড়েছেন শরিফুল ইসলাম। এক ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি পেসার হয়েছেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিং ছিল শাহাদাত হোসেনের—২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৭ রানে ৬ উইকেট।
ব্যাটারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্স
দ্বিতীয় ইনিংসে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে ফিরিয়ে শুরুতেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলেন স্টার্ক। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও নাথান লায়নের বলে আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে আউট হন। তিনি ৪৬ বলে ৩১ রান করেন।
লিটন দাস কোনো রান না করেই ফিরেছেন। এই সিরিজে চার ইনিংসের তিনটিতেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিনি। মেহেদী হাসান মিরাজও স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
চা-বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৯৫। শেষ সেশনে মাত্র তিন বলের মধ্যে তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান নাথান লায়ন।
শেষ পর্যন্ত ৩৮.৩ ওভারে ৯৫ রানে অলআউট বাংলাদেশ।
ডারউইনের জয় ম্লান ম্যাকাইয়ের হারে
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ যে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছিল, ম্যাকাইয়ের এই পরাজয়ে তা বড় ধাক্কা খেল। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফিরেছে দারুণভাবে—অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের প্রত্যাশা অনুযায়ী।
২০০৩ সালে বাংলাদেশকে এক দিনে হারানোর কথা বলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ডেভিড হুক। সেবার বাংলাদেশ দুই টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হারলেও ম্যাচ তৃতীয় দিনে গড়িয়েছিল। এবার সেই সীমাও পেরোতে পারল না বাংলাদেশ।
দুই দিনে টেস্ট হার—বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার।