দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান—ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭ উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদন

  • আপলোডের সময় : Wednesday, August 26, 2026,
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান—ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭ উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান—ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭ উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদন

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান—ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭ উন্নয়ন প্রকল্পে অনুমোদন

মোঃ সাব্বির আহমেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি

দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা আলোচনা-গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সাধারণ বরাদ্দের আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে নির্ধারিত শর্ত ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজনীয়তা, গুরুত্ব ও জনস্বার্থ বিবেচনায় যাচাই-বাছাই করে প্রকল্পগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের অপেক্ষায় থাকায় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে।

নলছিটিতে খয়রাবাদ নদীর ভাঙন রোধ ও রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন নলছিটিতে খয়রাবাদ নদীর ভাঙন রোধ ও রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

এর মধ্যে জেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয়সংক্রান্ত একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়। তবে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অনুমোদনের চিঠিতে প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্বের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সরাসরি সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করেই প্রকল্পগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং মন্ত্রণালয়ও যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিয়েছে। এখন দ্রুত বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

প্রকল্প ছাড়ে কোনো সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ দেখেননি। তবে এ ধরনের কোনো বিষয় থাকলে তা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন।

এদিকে ৪১৭টি প্রকল্পের অনুমোদনের খবরে ঝালকাঠির তৃণমূল পর্যায়ে স্বস্তি ও আনন্দ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে অনুমোদনের খবরকে স্বাগত জানিয়েছেন।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উন্নয়নকাজ রয়েছে। দ্রুত এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হলে দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি জেলার স্থানীয় অবকাঠামো ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত