ত্রিপুরার বৃষ্টির প্রভাবে আখাউড়ায় কৃষিজমি প্লাবিত

  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ত্রিপুরার বৃষ্টির প্রভাবে আখাউড়ায় কৃষিজমি প্লাবিত

মস্ত মিয়া
বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়। ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল থেকে সীমান্তবর্তী উপজেলা আখাউড়ার বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর থেকে বেশ কিছু এলাকার পানি কমতে শুরু করলেও হাওড়া নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার অন্তত ২৫০ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে চলে যায়। রোববার বিকেল থেকে পানি বাড়তে থাকলেও সোমবার সকাল থেকে হাওড়া নদীর আশপাশের এলাকায় পানি কমতে শুরু করে।

হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বহুল আলোচিত মামলার বিচার শুরু হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বহুল আলোচিত মামলার বিচার শুরু

তবে কালন্দী খালসংলগ্ন এলাকার কৃষিজমিতে সোমবার দুপুর পর্যন্ত পানি আগের অবস্থাতেই ছিল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন ও মোগড়া ইউনিয়নের কিছু কৃষিজমি তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, হাওড়া নদীর আশপাশের এলাকার পানি কমছে। তবে কালন্দী খাল এলাকার জমিতে পানি আগের মতোই রয়েছে। এখনো কোনো বাড়িঘরে পানি ওঠেনি এবং আশ্রয়কেন্দ্র খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

এদিকে, ভারতের ত্রিপুরার স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে ১৭টি আশ্রয়শিবিরে চার শতাধিক পরিবারের সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত