তরুণ ভোটারদের টানতে ইনস্টাগ্রাম রিলে মোদির নতুন কৌশল
প্রতিনিধির নাম:
আপলোডের সময় :
Sunday, August 23, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
তরুণ ভোটারদের টানতে ইনস্টাগ্রাম রিলে মোদির নতুন কৌশল
দীর্ঘদিনের ‘স্ট্রংম্যান’ ভাবমূর্তি ও পরিমিত বক্তব্যের বাইরে গিয়ে এবার তরুণদের কাছে পৌঁছাতে ইনস্টাগ্রাম রিলকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাম্প্রতিক সময়ে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলনামূলক বেশি ক্যাজুয়াল ও অনানুষ্ঠানিক ভিডিও দেখা যাচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, আগে মোদির সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলোতে বেশ পরিকল্পিত ও আনুষ্ঠানিক কনটেন্টই বেশি দেখা যেত। তবে সম্প্রতি সেখানে ‘গেট রেডি উইথ মি’ ধরনের ট্রেন্ডিং ভিডিও, সেলফি স্টাইলের রিল এবং তরুণদের উদ্দেশে ‘ফ্রেন্ডস’ বলে সম্বোধনের মতো কনটেন্ট যুক্ত হয়েছে।
ইনস্টাগ্রামে মোদির অনুসারীর সংখ্যা ১০ কোটির বেশি। ফলে তরুণদের কাছে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্ল্যাটফর্মটি বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
কেন কৌশলে পরিবর্তন?
ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক ডিজিটাল আন্দোলনগুলোও বিজেপিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নতুন শক্তি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করেছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। মিম, লাইভস্ট্রিম ও রিলভিত্তিক রাজনৈতিক প্রচারণা তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
এর পাশাপাশি ভারতের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ তরুণ। ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় জেন-জি ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ একটি ভোটারগোষ্ঠীতে পরিণত হবে। ফলে এই প্রজন্মকে আকৃষ্ট করা বিজেপির জন্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
মোদির নতুন ধরনের উপস্থিতি নিয়ে তরুণদের প্রতিক্রিয়া অবশ্য একমুখী নয়। কেউ কেউ তার এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও অনেকে মনে করছেন, তরুণদের ভাষা ও সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ড গ্রহণ করলেও তাদের বাস্তব রাজনৈতিক উদ্বেগগুলো এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি একটি রিলে তরুণদের ‘ফ্রেন্ডস’ বলে সম্বোধন করার পর সামাজিক মাধ্যমে ট্রলেরও মুখে পড়েন মোদি। পরে তার সোশ্যাল মিডিয়া টিম ভিডিওর উপস্থাপনায় পরিবর্তন আনে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইনস্টাগ্রামে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক কঠিন। অ্যালগরিদমের কারণে দর্শকের প্রতিক্রিয়াই কনটেন্টের বিস্তার নির্ধারণ করে। ফলে শুধু জনপ্রিয় রিল তৈরি করলেই রাজনৈতিক সাফল্য নিশ্চিত হয় না।
তরুণ ভোটারদের মন জয় করতে মোদির এই নতুন ডিজিটাল কৌশল কতটা কার্যকর হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।