ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন, ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত
- আপলোডের সময় : Tuesday, September 15, 2026,

ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন, ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সেবা কার্যক্রমে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কোনো প্রটোকল ছাড়াই আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এ ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। পরিদর্শনকালে প্রায় ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পরিদর্শনের গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রশাসক শুধু ব্যক্তিগত গাড়িচালককে সঙ্গে নিয়ে বের হন। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে তিনি আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এ পৌঁছে বাইরে অবস্থান করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে আসা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরে সকাল ৯টা ২ মিনিটে কার্যালয়ে প্রবেশ করে মূল ফটক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন, যাতে বিলম্বে আসা কেউ প্রবেশ করতে না পারেন। এরপর প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং হাজিরা খাতা যাচাই করেন। এতে প্রায় ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে চাকরি বিধি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার উননেছা শিউলীকে নির্দেশ দেন প্রশাসক।
আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন শেষে ডিএসসিসির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহানপুর এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উপস্থিতি ও হাজিরা খাতা তদারকি করেন তিনি। সেখানেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনুপস্থিতি দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রশাসক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদারকে নির্দেশনা দেন তিনি।
পরে মতিঝিল পীর জঙ্গির মাজার থেকে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল, ফকিরাপুল, আরামবাগ ও দৈনিক বাংলা হয়ে বঙ্গভবন পর্যন্ত এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযানে সরাসরি নেতৃত্ব দেন প্রশাসক। এ সময় অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে পথচারীদের চলাচলের পথ সুগম হয়।
অভিযান ও পরিদর্শন প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, নাগরিক সেবা প্রদানে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অবহেলা বরদাশত করা হবে না। সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কর্মচারী কিংবা বাইরের কোনো পক্ষ—জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি সেবা প্রদানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ ও পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।