চিকিৎসক সংকটে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, ৬৬ পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৩ জন

  • আপলোডের সময় : Monday, August 24, 2026,
চিকিৎসক সংকটে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, ৬৬ পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৩ জন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
চিকিৎসক সংকটে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, ৬৬ পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৩ জন

চিকিৎসক সংকটে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, ৬৬ পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৩ জন

মোঃ সাব্বির আহমেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট চলায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা। জেলার প্রধান সরকারি এই হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে এলেও প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়ছে।

হাসপাতালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত ৬৬টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৩ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ৫৩টি পদ। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ রোগী এবং জরুরি বিভাগে ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর বিপরীতে অল্পসংখ্যক চিকিৎসক থাকায় তাদের ওপরও তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত কর্মচাপ।

চিকিৎসক সংকটের কারণে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় জটিল রোগীদের অনেক সময় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে যেতে হচ্ছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের পাশাপাশি যাতায়াতের বাড়তি খরচও বহন করতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হলে অনেক ক্ষেত্রে বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত জনবল দিয়েই রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে শূন্য পদগুলো পূরণ করে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

এদিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যার নতুন ভবনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমও এখনো চালু হয়নি। জেলার স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে নতুন ভবনটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম দ্রুত চালু করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের দাবি, জেলার প্রধান সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ২৫০ শয্যার নতুন হাসপাতালের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেলে জেলার মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।

রোগীদের প্রত্যাশা, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত