চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, কারাদণ্ড-জরিমানা

  • আপলোডের সময় : Thursday, August 27, 2026,
চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, কারাদণ্ড-জরিমানা
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, কারাদণ্ড-জরিমানা

চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, কারাদণ্ড-জরিমানা

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা: মো. আরিফুল ইসলাম

পাবনার চাটমোহরে ভোজ্য তেল, জেলি, চিনি, কস্টিক সোডা ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় প্রায় ৩০০ লিটার কথিত ভেজাল দুধ ও দুধ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় সুমন ঘোষ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চাটমোহর পৌরসভার মধ্যশালিখা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন ঘোষ ওই গ্রামের অমল চন্দ্র ঘোষের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগ ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ লিটার প্রস্তুতকৃত দুধ পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

এ ছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত জেলি, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব উপাদান ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে দুধের মতো তরল তৈরি করে বাজারে সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযানের পর ঘটনাস্থলেই চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সুমন ঘোষকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে চাটমোহর পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ এবং চাটমোহর থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুধের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যক্তিরা ভেজাল পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের চেষ্টা করছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, “জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা: মো. আরিফুল ইসলাম

পাবনার চাটমোহরে ভোজ্য তেল, জেলি, চিনি, কস্টিক সোডা ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় প্রায় ৩০০ লিটার কথিত ভেজাল দুধ ও দুধ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় সুমন ঘোষ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চাটমোহর পৌরসভার মধ্যশালিখা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন ঘোষ ওই গ্রামের অমল চন্দ্র ঘোষের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগ ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ লিটার প্রস্তুতকৃত দুধ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত জেলি, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব উপাদান ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে দুধের মতো তরল তৈরি করে বাজারে সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযানের পর ঘটনাস্থলেই চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সুমন ঘোষকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে চাটমোহর পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ এবং চাটমোহর থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুধের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যক্তিরা ভেজাল পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের চেষ্টা করছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, “জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত