চরমোন্তাজে ভাঙনের মুখে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

  • আপলোডের সময় : Wednesday, September 9, 2026,
চরমোন্তাজে ভাঙনের মুখে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
চরমোন্তাজে ভাঙনের মুখে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

চরমোন্তাজে ভাঙনের মুখে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে সংস্কারের জিওব্যাগ, স্থায়ী ব্লক স্থাপনের দাবি

মোঃ মাসুদ মোল্লা
রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রতিনিধি
আমার সকাল ২৪

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরমার্গারেট পূর্ব সুলিজ থেকে দক্ষিণ আশ্রয়ণ কেন্দ্র পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশে ভাঙন ও মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে আতঙ্কে রয়েছেন বাঁধসংলগ্ন শতাধিক পরিবার।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে জোয়ারের পানির প্রবল চাপ ও স্রোতে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ধসে পড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ আশপাশের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয়রা জানান, এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভর্তি জিওব্যাগ ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে জোয়ারের পানির প্রবল স্রোতে অনেক জিওব্যাগ সরে গিয়ে পানিতে ভেসে গেছে। ফলে বাঁধের স্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত হয়নি এবং বর্তমানে কয়েকটি অংশ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

নালিতাবাড়ীতে জুসে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের ক্ষোভ নালিতাবাড়ীতে জুসে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের ক্ষোভ

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমগীর ফকির (৫০) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৩৪) বলেন, “আমরা অসহায় মানুষ। বেড়িবাঁধের পাশে ছোটখাটো ব্যবসা করে সংসার চালাই। জোয়ারের পানিতে বাঁধের মাটি সরে যাওয়ায় আমাদের দোকানঘরও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বাঁধ ভেঙে গেলে আমাদের সবকিছু পানিতে চলে যাবে।”

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

অন্য বাসিন্দা মো. খালেক (৫৫) বলেন, “এইটুকুই আমার সম্বল, মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়। কখন যে বাঁধটি পানির সঙ্গে মিশে যাবে, সেই ভয়েই দিন কাটে। বাঁধ ভেঙে গেলে পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, সেটাই জানি না।”

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু মাটি ফেলে কিংবা জিওব্যাগ দিয়ে সাময়িকভাবে বাঁধ রক্ষা করা সম্ভব নয়। জোয়ারের পানির প্রবল স্রোত থেকে বাঁধকে স্থায়ীভাবে সুরক্ষিত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই ব্লক স্থাপনসহ দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধ ভেঙে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশপাশের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়তে পারে। এতে ঘরবাড়ি, গবাদিপশু ও মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগের আগেই বেড়িবাঁধটি জরুরি ভিত্তিতে মেরামত এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ব্লক স্থাপনের মাধ্যমে স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত