ঘোড়াঘাটে ট্রান্সফরমার চুরি, ছয় দিন ধরে বিদ্যুৎহীন বিদ্যালয়

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Thursday, September 3, 2026,
ঘোড়াঘাটে ট্রান্সফরমার চুরি, ছয় দিন ধরে বিদ্যুৎহীন বিদ্যালয়
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
ঘোড়াঘাটে ট্রান্সফরমার চুরি, ছয় দিন ধরে বিদ্যুৎহীন বিদ্যালয়

ঘোড়াঘাটে ট্রান্সফরমার চুরি, ছয় দিন ধরে বিদ্যুৎহীন বিদ্যালয়

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বিদ্যালয়ের ট্রান্সফরমার চুরির পর ছয় দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় চলছে পাঠদান। এতে তীব্র গরমের পাশাপাশি খাবার পানি ও ওয়াশরুম ব্যবহারে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে শতাধিক শিক্ষার্থী। বিদ্যুৎ ও পানির সংকটে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।

ঘোড়াঘাট পৌরশহরের নুরজাহানপুর অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ছয়জন শিক্ষকসহ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট রাতে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমারটি চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর থেকে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে শ্রেণিকক্ষের ফ্যানগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে পানি তোলাও সম্ভব হচ্ছে না।

বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আল মোসতাকিনা জান্নাতি মিম বলে, ‘ট্রান্সফরমার চুরির কারণে আমরা গরমে ক্লাস করতে পারছি না। পানির কারণে ওয়াশরুমেও যেতে পারছি না। আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় ১৬ জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় ১৬ জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন

অভিভাবক মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রান্সফরমার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা, কিন্তু এর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিশুদের। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ সচল করা না হলে গরমের কারণে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিতে পারে। এতে নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উপস্থিতির হারও কমে যেতে পারে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন বেগম বলেন, ‘গত ২৯ আগস্ট রাতে কোনো এক সময় ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়। সেই থেকে বিদ্যুৎ ও পানি-বিহীন অবস্থায় আছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ ম্যানেজিং কমিটিকে জানিয়েছি। শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’

তিনি আরও জানান, এর আগেও বিদ্যালয়ের ফ্যান, টিউবওয়েল ও প্রাচীরের ওপর থাকা লোহার গ্রিল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, ‘ট্রান্সফরমার চুরি হলে নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের জন্য ক্ষতিপূরণের অর্থ দিতে হয়। এরপরও বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ সচল করার বিষয়ে ডিজিএম ও ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ডিজিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্কুলের হেড টিচার আবারও ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এ কারণে পেছনের লাইনে থাকা দুটি খুঁটি রিপ্লেস করে ট্রান্সফরমার ছাড়াই সংযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে গতকাল রাত ও আজ সকালেও ডিজিএমের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ইউএনওকেও জানানো হয়েছে। দ্রুত কীভাবে সংযোগ দেওয়া যায়, বিষয়টি দেখছি।’

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত