গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে শান্তিগঞ্জের ৬ যুবক নিখোঁজ
প্রতিনিধির নাম:
আপলোডের সময় :
Monday, August 17, 2026,
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে শান্তিগঞ্জের ৬ যুবক নিখোঁজ
গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে শান্তিগঞ্জের ৬ যুবক নিখোঁজ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ছয় যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। এতে নিখোঁজদের পরিবারে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) নিখোঁজ যুবকদের পরিবারের সদস্যরা এ তথ্য জানান।
নিখোঁজরা হলেন—পশ্চিম পাগলার শত্রুমর্দন গ্রামের হৃদয় পাল, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের এনামুল খাঁন, রিপন মিয়া ও মামুন খাঁন, রনসী গ্রামের মো. তালহা এবং দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের সাগর পাল।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
নিখোঁজ হৃদয় পালের বাবা রন্টু পাল জানান, গত ৩১ জুলাই সর্বশেষ ছেলের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়। তখন হৃদয় জানিয়েছিলেন, এক-দুই দিনের মধ্যে লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, ১৩ লাখ টাকা চুক্তিতে দালালের মাধ্যমে হৃদয়কে প্রথমে ঢাকা থেকে ভারতে, পরে শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার সময় থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন
আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
অপর নিখোঁজ মামুনের চাচা জানান, গত ৩ আগস্ট লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হন তাঁর ভাতিজা। সেদিন পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের উদ্ধারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বজনরা।
এদিকে একই নৌযানে থাকা শান্তিগঞ্জের আরও চার যুবক জীবিত উদ্ধার হয়ে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁরা হলেন—দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, একই ইউনিয়নের বুরুমপুর গ্রামের আলিম উদ্দিন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের আবু সাইদ ও আব্দুল করিম।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন চারজনের শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে। তবে দালালদের বিষয়ে কথা বলতে তাঁরা অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল করিম এক ভিডিও বার্তায় জানান, তাঁরা ৪২ জন লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে নৌযাত্রা করেছিলেন। গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর নৌযানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় সাগরে আটকে থাকার পর খাবার ও পানির সংকটে কয়েকজনের মৃত্যু হয় বলে তিনি দাবি করেন।
আব্দুল করিম আরও জানান, দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার কারণে তাঁরা শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলিউল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। তবে আমরা তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’