কোচদের ‘হাতাহাতি’, ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডাকলেন বাংলাদেশের কোচ

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
কোচদের ‘হাতাহাতি’, ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডাকলেন বাংলাদেশের কোচ
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

কোচদের ‘হাতাহাতি’, ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডাকলেন বাংলাদেশের কোচ

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। আগামী ৩১ আগস্ট উজবেকিস্তানে শুরু হবে বাছাইপর্ব। মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২৭ আগস্ট দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। তবে মাঠের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্সের চেয়ে এখন কোচিং স্টাফের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বই বেশি আলোচনায়।

দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে বিরোধ এবার হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শেষ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডাকতে হয়েছে ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্সকে।

দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে জেরার্ড জোন্স ও আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে জোন্স ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ হোটেলে গেলেও শেষ পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

কোচিং স্টাফের এমন ঘটনায় বিব্রত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও। বয়সভিত্তিক দল হলেও অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই কোচের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে সেটি খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জাপানের কাছে হেরে জুনিয়র বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের জাপানের কাছে হেরে জুনিয়র বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

ঘটনার বিষয়ে দলের ম্যানেজার ও বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সামিদ কাশেম বলেন, ‘আমরা ডেভেলপমেন্ট কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি, দ্রুতই একটি সুন্দর সমাধান হবে। আমাদের লক্ষ্য ফুটবলারদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করে দেশকে সাফল্য এনে দেওয়া।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

তবে জেরার্ড জোন্সকে ঘিরে বিতর্ক এবারই প্রথম নয়। কিছুদিন আগে বেতনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে আলোচনায় এসেছিলেন এই ইংলিশ কোচ। সেখানে নিজের পরিবার ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বাফুফের সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে তার আচরণ নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচিং নিয়ে বিতর্ক অবশ্য জোন্সের আগেও ছিল। তার আগে দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ কোচ মার্ক কক্সের কোচিং সনদ ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। জেরার্ড জোন্সের যোগ্যতা নিয়ে বড় কোনো প্রশ্ন না থাকলেও এবার তার আচরণ নিয়ে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে কোচিং স্টাফের এমন দ্বন্দ্ব দলের প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বাফুফে দ্রুত পরিস্থিতির সমাধান করে দলকে পুরোপুরি মাঠের প্রস্তুতিতে মনোযোগী করতে পারে কি না, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত