কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ‘ভোল পোয়া’, ১১ হাজার টাকায় বিক্রি

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Tuesday, August 25, 2026,
কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ‘ভোল পোয়া’, ১১ হাজার টাকায় বিক্রি
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ‘ভোল পোয়া’, ১১ হাজার টাকায় বিক্রি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ‘ভোল পোয়া’। মাছটি ‘বড়চোখা পোয়া’ ও ‘সাদা পোয়া’ নামেও পরিচিত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রায় ৩ কেজি ওজনের মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের সিফাত ফিশে আনা হয়। পরে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাকিবুল ইসলাম মাছটি ১১ হাজার ১২৫ টাকায় কিনে নেন। খোলা ডাকের মাধ্যমে মাছটি প্রায় দেড় লাখ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়।

জানা যায়, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ‘এমএস সিফাত’ ট্রলারের মাঝি শাইখুলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলে বিরল মাছটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

ট্রলারের মাঝি শাইখুল বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় হঠাৎ জালে বড় আকৃতির মাছটি উঠে আসে। এত বড় ও ব্যতিক্রমী মাছ আগে খুব একটা দেখেননি বলে জানান তিনি।

মুকসুদপুরে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ মুকসুদপুরে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

সিফাত ফিশের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান বলেন, সাগরে এমন দুর্লভ মাছ পাওয়া তাদের জন্য আনন্দ ও সৌভাগ্যের বিষয়। এ ধরনের মাছ ধরা পড়লে জেলেদের পাশাপাশি মৎস্য ব্যবসায়ীরাও উৎসাহিত হন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মাছটির ক্রেতা রাকিবুল ইসলাম জানান, ঢাকার একজন ব্যবসায়ীর অর্ডারের ভিত্তিতে তিনি মাছটি কিনেছেন। তার ব্যবসায়ী পার্টনার মাছটি বিদেশে রপ্তানি করবেন বলে জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মাছটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য পোয়া বা ক্রোকার গোত্রের (Sciaenidae) মাছের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে নির্দিষ্ট প্রজাতি নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা প্রয়োজন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজিব সরকার বলেন, মাছটির বড় ও গভীর দেহ, বড় মাথা, প্রশস্ত মুখ এবং রুপালি-ধূসর বর্ণ পোয়া গোত্রের কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট প্রজাতি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের মাছ ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ রয়েছে এবং বিরল প্রজাতির মাছ মাঝেমধ্যে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত