কুমিল্লা মহাসড়কে বেড়েছে ডাকাতি, আতঙ্কে যাত্রী-চালকরা

প্রতিনিধির নাম:
  • আপলোডের সময় : Monday, September 7, 2026,
কুমিল্লা মহাসড়কে বেড়েছে ডাকাতি, আতঙ্কে যাত্রী-চালকরা
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
কুমিল্লা মহাসড়কে বেড়েছে ডাকাতি, আতঙ্কে যাত্রী-চালকরা

কুমিল্লা মহাসড়কে বেড়েছে ডাকাতি, আতঙ্কে যাত্রী-চালকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মহাসড়কের অন্তত ছয়টি এলাকায় নিয়মিত ডাকাতির ঘটনা ঘটায় আতঙ্কে রয়েছেন এ রুটের যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত ১০টার পর সংযোগ সড়ক ও মহাসড়কের কিছু অংশে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। সুযোগ বুঝে কখনো গাছের গুঁড়ি, লোহার রড, ইট-পাথরসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহন থামানো হয়। আবার কখনো যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িকে অনুসরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে লুটপাট করা হয়।

এতে যাত্রীদের টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী খোয়া যাওয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ফলে রাতে দূরপাল্লার যাত্রায় অনেকেই আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

পরিবহনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডাকাতি প্রতিরোধে মহাসড়কে নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা দরকার। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি ডাকাতচক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর, ইলিয়টগঞ্জ ও গোমতা, চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন অংশে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও প্রবাসফেরত যাত্রীরা ডাকাতদের প্রধান টার্গেট বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

সূত্রের দাবি, দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতচক্রের সদস্যরা অবস্থান করে। বিভিন্ন স্টেশন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে তারা অবস্থান করছে বলেও জানা গেছে। বিশেষ করে ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ময়নামতি ও পদুয়ার বাজার এলাকায় অর্ধশতাধিক ডাকাত সদস্য বাসা ভাড়া করে অবস্থান করছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, রাতের আঁধারে বিভিন্ন ভাড়া বাসায় তারা একত্রিত হয়ে গোপন বৈঠক করে। পুলিশি নজরদারি এড়াতে দেশীয় মোবাইল সিমের পরিবর্তে বিদেশি নম্বর ব্যবহার এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ ও ডাকাতির পরিকল্পনা করার অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়েছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ডাকাতি প্রতিরোধে মহাসড়কে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। ডাকাতচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। ডাকাত দলের সদস্যদের পাওয়া গেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত