এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র

, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : Saturday, October 3, 2026,
এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।
এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র

এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ নাইম

শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি কাশফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজ মাঠজুড়ে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে শুভ্রতার চাদর। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাপারীবাড়ি-সংলগ্ন মাঠে প্রতিদিন ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ।

বিকেল হলেই কাশবন ঘিরে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের আনাগোনা। কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠছেন। তরুণ-তরুণীদের অনেকেই কাশফুলের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত। শিশুদের ছোটাছুটি, দর্শনার্থীদের হাসি-আড্ডা আর প্রকৃতির নৈসর্গিক পরিবেশে বিকেলের পর পুরো এলাকা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

মঠবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এই কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কাশফুলের শুভ্রতা, নীল আকাশ, সাদা মেঘ ও হালকা বাতাস মিলে জায়গাটি হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের স্বল্প সময়ের বিনোদনের অন্যতম আকর্ষণ।

সাদা চুলে প্রকাশ্যে ৬১ বছরের আমির খান সাদা চুলে প্রকাশ্যে ৬১ বছরের আমির খান

ঘুরতে আসা রাহাত হোসেন বলেন, দিনভর এখানে নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। শিশুদের আনন্দ, পরিবার-পরিজনের আড্ডা এবং তরুণদের ছবি তোলায় জায়গাটি বেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে ভালো লাগছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

Ad served by Google দ্বারা বিজ্ঞাপন

আপনার পঠন অভ্যাস এবং সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে এই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে। এটি আমাদের সাইট পরিচালনায় সহায়তা করে।
ধন্যবাদ! আমরা এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে আর দেখাবো না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর শরৎ মৌসুমে এই মাঠে কাশফুল ফুটলেও এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসায় স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

ঘুরতে আসা স্বর্ণালী আক্তার বলেন, মঠবাড়িয়ায় তেমন কোনো বিনোদনকেন্দ্র নেই। শিশু ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবসর কাটানোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গারও অভাব রয়েছে। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানুষ এমন জায়গাগুলোতে ছুটে আসেন। কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে এসে তার ভালো লাগছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিনোদন ও অবসর কাটানোর জন্য পরিকল্পিত কোনো কেন্দ্র না থাকায় সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক স্থান কিংবা খোলা জায়গার ওপর নির্ভর করতে হয়। শরৎ মৌসুমে কাশবনটি সাময়িকভাবে মানুষের বিনোদনের সুযোগ তৈরি করলেও এটি স্থায়ী সমাধান নয়।

তাদের দাবি, মানুষের বিনোদন ও অবসর কাটানোর সুযোগ তৈরি করতে মঠবাড়িয়ায় পরিকল্পিতভাবে একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি উপজেলার বাইরের দর্শনার্থীদেরও আকৃষ্ট করার সুযোগ তৈরি হবে।

শেয়ার করুন:

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?

মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।

একটি মন্তব্য লিখুন

আমার সকাল ২৪  ই – পেপার

এ সংক্রান্ত