ইউরোপের সেরা রেলস্টেশন জুরিখ এইচবিএফ
- আপলোডের সময় : Thursday, September 10, 2026,

ইউরোপের সেরা রেলস্টেশন জুরিখ এইচবিএফ
যাত্রীসেবা, সময়ানুবর্তিতা, স্থাপত্যশৈলী ও সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন মানদণ্ডে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এইচবিএফ ইউরোপের সেরা রেলস্টেশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদিকে জার্মানির রেলস্টেশনগুলোর অবস্থান আগের তুলনায় আরও নিচে নেমেছে। ২০২৬ সালের ইউরোপিয়ান রেলওয়ে স্টেশন ইনডেক্সে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
কনজিউমার চয়েস সেন্টার প্রকাশিত সূচকে ইউরোপের ব্যস্ততম ৬০টি রেলস্টেশনকে বিভিন্ন মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ট্রেন বিলম্বের হার, গড়ে অপেক্ষার সময়, স্টেশনের বিভিন্ন সেবা, যাত্রীদের জন্য সহজপ্রবেশ্যতা, বিনা মূল্যের ওয়াই-ফাই, স্থানীয় ও জাতীয় রেল যোগাযোগ এবং টিকিটের ধরন।
তালিকায় প্রথম হয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এইচবিএফ। স্টেশনটির মাত্র ৪ শতাংশ ট্রেন বিলম্বে ছেড়ে যায়। দেশটির বার্ন এইচবিএফ যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে, যেখানে বিলম্বের হার ১ দশমিক ৮ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে ১৪তম স্থানে থাকা লুজার্ন এইচবিএফও সময়নিষ্ঠ স্টেশনগুলোর একটি। সেখানে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ ট্রেন বিলম্বিত হয়।
সুইজারল্যান্ডে জাতীয় পর্যায়ে ট্রেন সময়মতো চলার হার ৯৪ দশমিক ১ শতাংশ। এ কারণে দেশটিকে ইউরোপের রেল পরিবহনের মানদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে কনজিউমার চয়েস সেন্টার।
অন্যদিকে জার্মানির রেলব্যবস্থার অবস্থান আগের সূচকের তুলনায় আরও পিছিয়েছে। তালিকার নিচের সারির ৩০টি স্টেশনের মধ্যে ১৫টিই জার্মানির। দেশটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা বার্লিন এইচবিএফ রয়েছে ১৮তম স্থানে। স্টেশনটির ৬১ দশমিক ১ শতাংশ ট্রেন বিলম্বে ছাড়ে এবং বিলম্বের গড় সময় প্রায় ২০ মিনিট।
ইউরোপের ৬০টি স্টেশনে যেখানে গড়ে ২৯ শতাংশ ট্রেন বিলম্বে ছাড়ে, সেখানে জার্মানিতে এ হার প্রায় দ্বিগুণ—৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ। একইভাবে, ইউরোপজুড়ে ট্রেন বিলম্বের কারণে গড়ে অপেক্ষার সময় ৮ দশমিক ০৬ মিনিট হলেও জার্মানিতে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ১৪ দশমিক ৭৪ মিনিট।
যাত্রীসংখ্যা বাড়ায় এবারের সূচকে নতুন করে ইউরোপের ১০টি স্টেশন যুক্ত হয়েছে। নতুন স্টেশনগুলোর মধ্যে শীর্ষ ৫টির মধ্যে দুটি পোল্যান্ডের—ক্রাকভ গ্লোভনি ৯ম এবং পোজনান গ্লোভনি ১৩তম স্থানে রয়েছে।
২০২৬ সালে ইউরোপের সেরা ১০ রেলস্টেশন
১. জুরিখ এইচবিএফ — সুইজারল্যান্ড
২. গার দ্য নর — প্যারিস, ফ্রান্স
৩. আমস্টারডাম সেন্ট্রাল — নেদারল্যান্ডস
৪. রক্লভ গ্লোভনি — পোল্যান্ড
৫. বার্ন এইচবিএফ — সুইজারল্যান্ড
৫. গার মনপারনাস — প্যারিস, ফ্রান্স
৭. গার সাঁ-লাজার — প্যারিস, ফ্রান্স
৮. লন্ডন ব্রিজ — যুক্তরাজ্য
৯. ক্রাকভ গ্লোভনি — পোল্যান্ড
১০. লন্ডন সেন্ট প্যানক্রাস ইন্টারন্যাশনাল — যুক্তরাজ্য



















লেখাটি আপনার কেমন লাগলো?
মন্তব্য করতে সাইন-আপ বা লগইনের প্রয়োজন নেই - সরাসরি আপনার মতামত লিখুন।