
নিউজ ডেস্ক। আমার সকাল ২৪
দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও অননুমোদিত হ্যান্ডসেট ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে চোরাই ও অবৈধ হ্যান্ডসেট সহজে শনাক্ত করা যায়।
এনইআইআর চালুর পর মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ায় বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এনইআইআর চালুর পরও আগামী ৯০ দিন কোনো অবৈধ বা ক্লোন করা মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না। তাই ব্যবহারকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এনআইডির বিপরীতে একাধিক হ্যান্ডসেট দেখানোর কারণ ব্যাখ্যা করে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি হিস্টোরিক ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। মাইগ্রেশনের তারিখ বর্তমান দেখানোর কারণে অনেকের এনআইডিতে বেশি সংখ্যক সিম বা হ্যান্ডসেট সচল দেখাচ্ছে। বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে। ধীরে ধীরে শুধু বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের তথ্য দেখানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে একসময় একটি এনআইডির বিপরীতে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল, যা বর্তমানে কমিয়ে ১০টিতে আনা হচ্ছে। ফলে হিস্টোরিক ডেটায় বেশি ডিভাইস দেখানো স্বাভাবিক।
এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের এনআইডির বিপরীতে কত সিম ও ডিভাইস ব্যবহৃত হয়েছে তা জানতে পারবেন, যা আর্থিক অপরাধ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলেও জানান তিনি।