
ঢাকসু নির্বাচনের প্রার্থী ও ভিপি সাদিক কায়েম দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করেছেন। সভায় তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত সত্যিই উদ্বেগজনক। এর মাধ্যমে ভোটার, সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিকদের ভোটকেন্দ্রের যেকোনো ঘটনার তথ্য বা ফুটেজ সংগ্রহের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
সাদিক কায়েম বলেন, “বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এবার মোবাইল নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হয়েছে। কার ইশারায়, কার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিলো? ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ মানে ভোটারদের ঘরে মোবাইল রাখতে হবে, এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড নয়। এতে ভোটকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য স্বয়ং ভুক্তভোগীর কাছেও থাকবে না।”
তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, “কারা দেশের তরুণদের ভয় পায়? কারা নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়?” তিনি দেশের যুবকদের প্রতি আহবান জানান, “আপনারাই করেছেন জুলাই আন্দোলন, আপনারাই নির্মাণ করবেন নতুন বাংলাদেশ। আওয়াজ তুলুন, নিজেদের অধিকার রক্ষা করুন।”
সাদিক কায়েম স্পষ্টভাবে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এই মোবাইল নিষিদ্ধ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। তিনি বলেন, “ইলেকশন কমিশন কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য নয়, বরং একটি ফ্রি, ফেয়ার ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়।”