
ফজলে রাব্বি পাপপু
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাল বাজার রোডে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্যমূল্যে ওএমএসের চাল বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে ক্রেতাদের দেওয়া হচ্ছে ২ থেকে ৩ কেজি কম। একই সঙ্গে নির্ধারিত ৪৫০ টাকার পরিবর্তে অতিরিক্ত ২০ টাকা বেশি নিয়ে ৪৭০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, ডিলার আলাউদ্দিনের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম চলে আসছে। সাংবাদিক উপস্থিতি টের পেয়ে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী অভিযোগ করেন, একজন নারী এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তার নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে। ফলে ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
অভিযোগ রয়েছে, ডিলার আলাউদ্দিন রাসেল স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চান না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তা ও ট্যাগ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির হোসেন বলেন, “অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ন্যায্যমূল্যের চালে কম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন হয়ে থাকে, তবে তা অবশ্যই অন্যায়।”
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান বলেন, “চাল কম দেওয়ার বিষয়টি আমি খোঁজ নিচ্ছি। খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”