
শাহ্ ফুজায়েল আহমদ, নির্বাহী সম্পাদক
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার উন্নয়ন প্রত্যাশী জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
নির্বাচন কমিশন এখনও তফসিল ঘোষণা না করলেও রাজনৈতিক মহলে শিগগিরই ঘোষণা আসতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও জনসম্পৃক্ততা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জগন্নাথপুর এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে। ফলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, জগন্নাথপুরকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা।
উপজেলার কৃতি সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ, যার অবদান দেশ-বিদেশে সুপরিচিত। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, যাঁর সঙ্গে সমন্বয়ে স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জগন্নাথপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হবিবপুর এলাকার বাসিন্দা আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয়দের মতে, তিনি সৎ, পরিচ্ছন্ন এবং জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতীক।
আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার বলেন, “দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। আমি আশা করি, আগামীর স্থানীয় নির্বাচনগুলোও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আমি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছি। নির্বাচিত হলে মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদের নেতৃত্বে জগন্নাথপুরকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল উপজেলায় রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।”
এছাড়া তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ঈদ আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক। অতীতের সব দুঃখ-কষ্ট ও ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করি।”