
একজন প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্ট একটি করে গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রতিটি গাড়িতে সর্বোচ্চ ৫ জন থাকতে পারবেন (চালকসহ)।
গাড়ির ধরন: জিপ, কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশা বা রিকশা।
মোটরসাইকেল-নিষিদ্ধ এলাকায় প্রার্থী ও এজেন্ট প্রতি দুটো মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রতিটি মোটরসাইকেলে চালকসহ ২ জন থাকতে পারবেন।
নৌযানেও সর্বোচ্চ ৫ জন থাকতে পারবেন।
গাড়িতে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিদের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্র ও স্টিকার বাধ্যতামূলক।
ভোটের আগের দিন রাত ১২টা থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত:
ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক চলাচল বন্ধ।
মোটরসাইকেল:
মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ভোটের পরদিন শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত চলাচল নিষিদ্ধ।
এনসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চলাচল অনুমোদিত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষক।
জরুরি সেবা: ঔষধ, স্বাস্থ্যসেবা, সংবাদপত্র।
বিমানবন্দর যাত্রা/ফেরত (প্রমাণ দেখাতে হবে) ও দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টের একটি করে গাড়ি (স্টিকার ও অনুমোদনের সঙ্গে)।
সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন।
নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী বা অন্যান্য অনুমোদিত মোটরসাইকেল।
টেলিযোগাযোগ সেবা সরবরাহকারী যানবাহন (বিটিআরসি অনুমোদিত)।
জাতীয় মহাসড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রাস্তায় জেলা প্রশাসনের অনুমোদন।
মেট্রোরেল স্বাভাবিক চলবে।
ভোটারদের সুবিধার্থে প্রয়োজনে ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
সংক্ষেপে বলা যায়:
সাধারণ যানবাহন যেমন ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্যাক্সিক্যাব ভোটের দিন চলবে না।
প্রার্থী/এজেন্ট ও অনুমোদিত বাহিনী ছাড়া অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না।
জরুরি সেবা, দূরপাল্লার যাত্রী, সাংবাদিক ও নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত অনুমোদিত যানবাহন চলাচলে স্বাধীন।