
শাহ্ ফুজায়েল আহমদ, নির্বাহী সম্পাদক
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর—শান্তিগঞ্জ) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বেড়ে চলেছে। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি আস্থা ও সমর্থন আরও জোরালো হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের জনসংযোগ, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নমূলক অঙ্গীকারের কারণে তিনি সকল শ্রেণীর ভোটারদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে সৎ, আদর্শবান এবং নিরহংকারী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন গরিব ও দুঃস্থ মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তিনি শুধু এলাকায় নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে মানবিক সেবা করে আসছেন। অসংখ্য পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সেবা এবং দুর্যোগকালীন সহায়তা প্রদানের কারণে তার মানবিক ভাবমূর্তিকে স্থানীয়রা অত্যন্ত প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় কর্মহীন ও অসচ্ছল মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া তার জনপ্রিয়তাকে আরও বৃদ্ধি করেছে।
বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করছেন। এসব সভায় ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা ও চাহিদা বুঝছেন এবং এলাকার উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—নির্বাচনে জয়ী হোক বা না হোক, এলাকার উন্নয়নে তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে। নিজের অর্থায়নে রাস্তাঘাট সংস্কার, কালভার্ট নির্মাণ এবং ছোট সেতু স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বলেছেন,
“আমি রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য। নির্বাচনে পাশ হই বা ফেল হই—সুনামগঞ্জ-৩ এলাকার মানুষের পাশে সবসময় থাকব। আমার সাধ্য অনুযায়ী রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও ছোট সেতু নির্মাণ করে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করব। জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও শক্তি।”
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, তার মানবিকতা, সততা এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাভাবনা তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করেছে। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, তার জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও পর্যবেক্ষকরা।