
মোঃ সোহেল মিয়া
স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী।
সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রতিটি নাগরিকের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই অধিকার এখনও অনেক সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। শহর ও গ্রামের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য, সরকারি ও বেসরকারি খাতে সেবার পার্থক্য, অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাব—সব মিলিয়ে দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে জর্জরিত।
এই প্রেক্ষাপটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিশ্রুতির আলোকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে। লক্ষ্য—স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হবে। চিকিৎসার মান বাড়াতে পারলে মন্ত্রী-এমপিসহ সাধারণ মানুষের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতাও কমবে। তিনি বলেন, “কিছু হলেই যেন বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে না হয়—সেই ব্যবস্থা দেশে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ জনগোষ্ঠী কোনো দেশের উৎপাদনশীল শক্তি হতে পারে না। তাই ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং জবাবদিহিমূলক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করবে সরকার।