
মোঃ মেহেদী হাসান
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে কমপক্ষে ৫টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে বিএনপি নেতা নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়নের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। দুই নেতা অতীতে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে দুজনই বিএনপির নেতৃত্বে যুক্ত হয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার সহিংসতায় জড়িয়েছেন। এসব ঘটনায় তারা কারাবাসও করেছেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে পানি সেচ দেওয়া নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক শহীদ মোল্যা ও নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদ শরীফের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে সন্ধ্যায় শালিস বৈঠকের কথা থাকলেও তা না হওয়ায় রাত ৮টার দিকে বালিয়া বাজার এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, “খবর পেয়ে সালথা আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।”