শীতে ডানার উৎসব: অতিথি পাখি ভরিয়ে দেয় নিঝুম দ্বীপ
মোঃ আরিফ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালীর হাতিয়ার উপজেলার নিঝুম দ্বীপ শীতকালে এক জীবন্ত দৃশ্যে রূপান্তরিত হয়। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সুদূর সাইবেরিয়া, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও হিমালয় অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখি এখানে এসে আশ্রয় নেয়।
পাখিরা খাল, বিল ও চরজুড়ে ডানা ঝাপটায়, বিশ্রাম নেয় এবং খাবার খোঁজে। পাতিহাঁস, নীলশির, সরালি, লেঞ্জা, বাটান, পানকৌড়ি ও গাংচিলের দল এখানে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতে উত্তরের দেশগুলোতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় পাখিরা উষ্ণ ও নিরাপদ আবাসস্থলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় আসে।
পর্যটক ও আলোকচিত্রীরা ভোরের আলোয় নদীর বুকে পাখির উড়াল ও চরাঞ্চলের কলতান উপভোগ করেন। তবে শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংস হলে এই প্রাকৃতিক উৎসব থেমে যেতে পারে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা পাখি সংরক্ষণে সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে অতিথি পাখিরা তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যায়। নিঝুম দ্বীপ তখন শান্ত নীরবতায় ভরে ওঠে, কিন্তু রেখে যায় শীতের সকালের ডানার উৎসবের স্মৃতি।

শীতে ডানার উৎসব: অতিথি পাখি ভরিয়ে দেয় নিঝুম দ্বীপ
মোঃ আরিফ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালীর হাতিয়ার উপজেলার নিঝুম দ্বীপ শীতকালে এক জীবন্ত দৃশ্যে রূপান্তরিত হয়। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সুদূর সাইবেরিয়া, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও হিমালয় অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখি এখানে এসে আশ্রয় নেয়।
পাখিরা খাল, বিল ও চরজুড়ে ডানা ঝাপটায়, বিশ্রাম নেয় এবং খাবার খোঁজে। পাতিহাঁস, নীলশির, সরালি, লেঞ্জা, বাটান, পানকৌড়ি ও গাংচিলের দল এখানে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতে উত্তরের দেশগুলোতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় পাখিরা উষ্ণ ও নিরাপদ আবাসস্থলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় আসে।
পর্যটক ও আলোকচিত্রীরা ভোরের আলোয় নদীর বুকে পাখির উড়াল ও চরাঞ্চলের কলতান উপভোগ করেন। তবে শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংস হলে এই প্রাকৃতিক উৎসব থেমে যেতে পারে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা পাখি সংরক্ষণে সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে অতিথি পাখিরা তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যায়। নিঝুম দ্বীপ তখন শান্ত নীরবতায় ভরে ওঠে, কিন্তু রেখে যায় শীতের সকালের ডানার উৎসবের স্মৃতি।