
মোহাম্মদ রিদয় হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মেডিকেল রিপোর্টে অনিয়ম ও সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, ডাক্তার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর একটি মেডিকেল রিপোর্টে একজন নারী রোগী শিমুলের মাথা ও গলায় “ধারালো অস্ত্রের আঘাত” (Sharp Cut Throat Injury In Scalp) লেখা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। কিন্তু বাস্তবে হাসপাতাল থেকে রোগী শুধুমাত্র হালকা কাটার চিকিৎসা নিয়েছেন।
ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন, “আমার ভুল হয়েছে।” শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তৌফিক পারভেজ জানান, রিপোর্টের বিষয়টি নিয়ে তার দপ্তর থেকে সরাসরি কিছু করার ক্ষমতা নেই, এবং রিপোর্ট প্রদানকারী ডাক্তার এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, রোগীর নিকট আত্মীয়দের অভিযোগ, রিপোর্টটি আদালতে মামলা দায়েরের জন্য নেওয়া হয়েছিল। শার্শা থানার এসআই শরিফুল জানান, তদন্তে গলায় কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
যশোর জেলা আদালতে (জি আর নং-২৩৯/৩০-১০-২০২৫) বিচারাধীন মামলার বিবাদী সাংবাদিককে জানান, তিনি বাদীর সঙ্গে কোনো ধরনের মারামারি করেননি এবং গলায় আঘাতের বিষয়টি তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি আরও দাবি করেন, অর্থের বিনিময়ে ডাক্তারকে নিয়ে ভুল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, বিষয়টির প্রমাণ হিসেবে কিছু ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।
এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে তৎপর সময়ে তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।