
সাইফুল ইসলাম রাজু, স্টাফ রিপোর্টার:
রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড পরিচালিত ‘ঢাকাই মসলিন হাউজ’ ও ‘জামদানি ভিলেজ’ পরিদর্শন করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম। মঙ্গলবার সকালে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি মসলিন ও জামদানি শিল্পের পুনর্জাগরণ এবং বন্ধ পাটকল চালুর বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মসলিন বাংলাদেশের প্রাচীন ও অনন্য ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সরকার বিদেশ থেকে নমুনা সংগ্রহসহ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংগৃহীত নমুনার ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে এর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, মসলিনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বাজার সম্প্রসারণ, উন্নত তুলা উৎপাদন এবং বীজের বহুমুখীকরণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই আগ্রহীদের কাছে মসলিন প্রযুক্তি হস্তান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।
জামদানি ভিলেজ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর ও ড্রেনেজের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি একটি ছয়তলা ও একটি তিনতলা ভবন নির্মাণের দরপত্র প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানোর কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
বন্ধ পাটকল চালুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে এবং পাটকলগুলো চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, যুগ্ম সচিব জাহিদ হোসেন ও সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।